1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জয়পুরহাটে মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় প্রতিবেশী আলম মণ্ডলকে মৃত্যুদণ্ড সেনাবাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক; জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী ভাড়া বিরোধে লালবাগে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, দুইজন আটক প্রধানমন্ত্রী: দেশ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পলাশবাড়ীর মূর্তি-কাণ্ডে আলোচিত হরিদাসকে সিআইডি গ্রেপ্তার হামে শিশুর মৃত্যু: ইউনূস, নূরজাহানসহ চারজনকে আসামি করার আবেদন খারিজ বাংলাদেশের বন্যায় নিহত-আহতদের নিয়ে মর্মাহত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ চলতি বছরেই সব উপজেলা হাসপাতালে ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী টেকনাফে পাহাড় থেকে পড়ে আহত ৪০ বছর বয়সী মা হাতির মৃত্যু

তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত, থালাপতি বিজয়ের সরকারের আইনি জয়

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

ভারতের তামিলনাড়ুতে মাদ্রাজ হাই কোর্টের সার্বিক গরু-জবাই নিষেধাজ্ঞা সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করেছেন, যা মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের জন্য বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আইনি সংবাদমাধ্যম লাইভ ল-এর মতো সূত্র উদ্ধৃত করে এনডিটিভি সোমবার (১৩ জুলাই) জানিয়েছে, হাই কোর্ট এক সিদ্ধান্তে রাজ্যজুড়ে বাকরিদ বা যে কোনও দিনে গরু ও বাছুর জবাই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছিলেন। তামিলনাড়ু সরকার সেই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ লিভ পিটিশন দায়ের করে।

শীর্ষ আদালতে বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ হাইকোর্টের ওই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছে, হাইকোর্টের যে অংশে রাজ্যব্যাপী এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। মামলায় তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

সরকারের যুক্তি ছিল, মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই ঢালাও নির্দেশনা সরাসরি ‘তামিলনাড়ু পশু সংরক্ষণ আইন, ১৯৫৮’-এর সঙ্গে বিরোধীদ্বৈত সৃষ্টি করছে। ওই আইনের আওতায় যেসব গরু ১০ বছরের বেশি বয়সী এবং সরকারিভাবে কাজ বা প্রজননের যোগ্য নয় বলে প্রত্যয়িত, সেগুলো জবাইয়ের অনুমতি রয়েছে। রাজ্য বলেছে, কসাইখানা সংক্রান্ত অন্যান্য বিধানগুলোর উদ্দেশ্য জনস্বাস্থ্য, পশু পালন ও জবাই পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করা — সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা নয়। তাই হাই কোর্টের সিদ্ধান্তটি কার্যত নতুন আইন করা বলে তারা দেখিয়েছেন।

হাইকোর্টের বিতর্কিত নিষেধাজ্ঞা ২৭ মে জিআর স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণ’র বেঞ্চ জারি করেছিলেন। আদেশটি ‘হিন্দু মক্কাল কাচি’ নামের একটি সংগঠনের সদস্য কে সূর্য প্রশান্তের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এসেছিল; মূল আবেদনে কেবল কোয়েম্বাটুরের নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে পশু জবাই সীমাবদ্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়েছিল।

তাতে হাই কোর্ট অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে दुগ্ধ উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতির দিক বিবেচনায় এবং সুপ্রিম কোর্টের কিছু পুরনো রায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে রাজ্যজুড়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, হাইকোর্টের আদেশে অভ্যন্তরীণ অসঙ্গতি ছিল—এক লাইনে নির্দিষ্ট স্থানে জবাই সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে, অন্য লাইনে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।

রাজ্য পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী প্রশাসন আগে থেকে খোলা জায়গায় কোরবানি প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল; বিষয়টি হাইকোর্ট আদেশে উপেক্ষিত ছিল বলে সরকারের যুক্তি।

বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ মানে ওই হাইকোর্টের সার্বিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর নেই; বিষয়টি ভবিষ্যতের শুনানি ও পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo