1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

১১-দলীয় জোট ঘোষণা করল ৩৬ দিনের কর্মসূচি

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য চলমান আন্দোলন আরও ত্বরান্বিত করতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে এ ঘোষণা দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি জানিয়েছেন, কর্মসূচিটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে নেওয়া হয়েছে এবং এর মূল লক্ষ্য—জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনমত গড়ে তোলা ও বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচারের দাবিকে জোরদার করা।

জোট সূত্রে বলা হয়, কর্মসূচির প্রধান ধারাগুলো হলো জনগণের মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি জাগানো, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং গুম-খুনের বিচারের জন্য চাপ সৃষ্টি। এ লক্ষ্যে দেশের সব জেলা ও মহানগরে একাধিক কর্মসূচি এবং স্মৃতিচারণ সভা, চিত্র প্রদর্শনী, দেয়ালচিত্র ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

৩৬ দিনের মূল কর্মসূচিসমূহ সংক্ষেপে নিম্নরূপ:

১–১৫ জুলাই: জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের প্রতিটি জেলা ও মহানগরীতে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। একই সময় সারা মাস ব্যাপী চিত্র প্রদর্শনীও হবে।

২৩–২৫ জুলাই: রাজধানীসহ countryব্যাপী দেয়ালচিত্র/গ্রাফিতি আঁকাসহ চিত্রাভিত্তিক কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

স্মৃতিচারণ ও সমাবেশ: যাত্রাবাড়ী, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, রামপুরা, মিরপুরসহ কয়েকটি স্মৃতিবিজড়িত স্থানে প্রত্যক্ষদর্শী ও শহীদ পরিবারের উপস্থিতিতে স্মৃতিচারণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

৪ জুলাই: ঢাকা ব্যতীত দেশের সকল মহানগর ও জেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

৬ জুলাই: জাতীয় সংসদের সামনে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন এবং স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হবে। জোট দাবি করেছে—সংবিধান পরিষদ গঠন করে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

৮ জুলাই: ঢাকায় এক কেন্দ্রীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে; জেলা পর্যায়ের সেমিনারগুলো তাদের সুবিধাজনক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

২০ জুলাই: নারী সংসদ সদস্য ও দেশের শীর্ষস্থানীয় নারী নেতাদের অংশগ্রহণে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

৩১ জুলাই (শুক্রবার): শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সারা দেশে মসজিদে দোয়া এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজন করা হবে।

৫ আগস্ট: সমাপনী দিন হিসেবে রাজধানীসহ দেশের সব জেলা, মহানগর ও উপজেলার পর্যায়ে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতারা বলেছেন, এই কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে ও সাংগঠনিকভাবে পরিচালনা করা হবে এবং জনগণের মধ্যে ইতিহাস সচেতনতা বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য। তারা সরকারকে বার্তা দিয়েছেন—জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গুম-খুনের বিচার ছাড়া দেশে স্থায়ী ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo