1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দুদকে তলব: বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা সুরঞ্জিতকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল, বাবর ও জি কে গউছসহ ৯ জন বেকসুর খালাস মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের ৭ জন পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুনরায় চালু জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সুখবর আসতে পারে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আগামী পাঁচ দিনে কোথায় কতটা বর্ষণ, জানালো আবহাওয়া অধিদফতর আগামী ৫ দিনে বৃষ্টি কেমন হবে, জানালো আবহাওয়া অধিদফতর তারেক রহমানের বেইজিং সফর: ঢাকা–বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় যাওয়ার আশায় সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজকে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হলো

১১-দলীয় জোট ঘোষণা করল ৩৬ দিনের কর্মসূচি

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য চলমান আন্দোলন আরও ত্বরান্বিত করতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে এ ঘোষণা দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি জানিয়েছেন, কর্মসূচিটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে নেওয়া হয়েছে এবং এর মূল লক্ষ্য—জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনমত গড়ে তোলা ও বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচারের দাবিকে জোরদার করা।

জোট সূত্রে বলা হয়, কর্মসূচির প্রধান ধারাগুলো হলো জনগণের মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি জাগানো, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং গুম-খুনের বিচারের জন্য চাপ সৃষ্টি। এ লক্ষ্যে দেশের সব জেলা ও মহানগরে একাধিক কর্মসূচি এবং স্মৃতিচারণ সভা, চিত্র প্রদর্শনী, দেয়ালচিত্র ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

৩৬ দিনের মূল কর্মসূচিসমূহ সংক্ষেপে নিম্নরূপ:

১–১৫ জুলাই: জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের প্রতিটি জেলা ও মহানগরীতে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। একই সময় সারা মাস ব্যাপী চিত্র প্রদর্শনীও হবে।

২৩–২৫ জুলাই: রাজধানীসহ countryব্যাপী দেয়ালচিত্র/গ্রাফিতি আঁকাসহ চিত্রাভিত্তিক কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

স্মৃতিচারণ ও সমাবেশ: যাত্রাবাড়ী, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, রামপুরা, মিরপুরসহ কয়েকটি স্মৃতিবিজড়িত স্থানে প্রত্যক্ষদর্শী ও শহীদ পরিবারের উপস্থিতিতে স্মৃতিচারণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

৪ জুলাই: ঢাকা ব্যতীত দেশের সকল মহানগর ও জেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

৬ জুলাই: জাতীয় সংসদের সামনে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন এবং স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হবে। জোট দাবি করেছে—সংবিধান পরিষদ গঠন করে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

৮ জুলাই: ঢাকায় এক কেন্দ্রীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে; জেলা পর্যায়ের সেমিনারগুলো তাদের সুবিধাজনক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

২০ জুলাই: নারী সংসদ সদস্য ও দেশের শীর্ষস্থানীয় নারী নেতাদের অংশগ্রহণে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

৩১ জুলাই (শুক্রবার): শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সারা দেশে মসজিদে দোয়া এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজন করা হবে।

৫ আগস্ট: সমাপনী দিন হিসেবে রাজধানীসহ দেশের সব জেলা, মহানগর ও উপজেলার পর্যায়ে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতারা বলেছেন, এই কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে ও সাংগঠনিকভাবে পরিচালনা করা হবে এবং জনগণের মধ্যে ইতিহাস সচেতনতা বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য। তারা সরকারকে বার্তা দিয়েছেন—জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গুম-খুনের বিচার ছাড়া দেশে স্থায়ী ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo