1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
লক্ষ্মীপুরে কুপিয়ে জখম কিশোরীরও মৃত্যু, নিহত বেড়ে পাঁচ সুরঞ্জিত হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল, বাবর ও জি কে গউছসহ ৯ জন খালাস; এককে মৃত্যুদণ্ড দুদকে তলব: বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা সুরঞ্জিতকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল, বাবর ও জি কে গউছসহ ৯ জন বেকসুর খালাস মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের ৭ জন পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুনরায় চালু জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সুখবর আসতে পারে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আগামী পাঁচ দিনে কোথায় কতটা বর্ষণ, জানালো আবহাওয়া অধিদফতর আগামী ৫ দিনে বৃষ্টি কেমন হবে, জানালো আবহাওয়া অধিদফতর তারেক রহমানের বেইজিং সফর: ঢাকা–বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় যাওয়ার আশায়

ফিফার পোস্ট: ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে’

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে না থাকা সত্ত্বেও দেশজুড়ে উৎসব ঘিরে যে উন্মাদনা, তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও چشمে পড়ছে। ফিফার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সম্প্রতি বাংলা ক্যাপশনে প্রকাশিত একটি পোস্টে বলা হয়েছে — ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে’। শিরোনামটি যেন বাস্তবকেই কানে আঘাত করে ওঠে।

বিশ্বকাপ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে সড়কপথ, অলিগলি ও দুর্গম অঞ্চলে ফুটবলপ্রেমীদের উদ্দাম উচ্ছ্বাস দেখা যায়। মানুষ মিছিল করে, বিশাল পতাকা তোলেন, পছন্দের দলের জার্সি ও মুখচিহ্ন লাগিয়ে খেলা উপভোগ করেন — সব জাগায় ছোট-বড় মিলেমিশে উৎসব রূপ নেয়। এসব দৃশ্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে পৌঁছাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও বাংলাদেশের এই ভক্তিতাপকে গুরুত্ব ধরে প্রচার করছে। চলতি টুর্নামেন্টেও দেশের নানা স্থান থেকে ভক্তদের জমায়েত ও উল্লাসের ফটোগ্রাফি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এমনই একটি ভিডিও—একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণজমায়েতে খেলা উপভোগের দৃশ্য—নেইমারের দলের পেজে শেয়ার করা হয়, যা আরও অনেককে জানাল এই উন্মাদনার কথা।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সমর্থক রয়েছে দুটি টিমের: আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। ভূগোল কিংবা রাজনীতির বিচারে বাংলাদেশ ও লাতিন আমেরিকার এই দুই দেশের সঙ্গে সরাসরি কোনো গভীর সম্পর্ক না থাকলেও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সেখানে যে প্রেম গড়ে উঠেছে, তা সহজে লুকিয়ে থাকে না। অনেক সময় কেবল ‘ভালবাসা’ বলে বোঝাতে গেলে তার গভীরতা কমবে বলে মনে হয়।

প্রতি বিশ্বকাপেই ভক্তদের উন্মাদনার নানা খবর সামনে আসে। এখন ডিজিটালের যুগ—তাই এসব উচ্ছ্বাস ও উদযাপন হাজার মাইল দুরের দেশেও পৌঁছে যাচ্ছে এবং স্থানীয় মুহূর্তগুলোকে বিশ্বব্যাপী করে তুলছে।

ইতিহাস বলছে, বাংলাদেশে প্রথমবার টেলিভিশনে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখানো হয় ১৯৮৬ সালে; তখন শুধুমাত্র নকআউট পর্বের কিছু ম্যাচ সম্প্রচার করা হয়েছিল। অনেক সিনিয়র ফুটবলপ্রেমীর মনে আছে, সেখান থেকেই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ উন্মাদনার আধুনিক অধ্যায় শুরু। এখন সেই অভিজ্ঞতাগুলো সামাজিক মাধ্যম ও লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে আরও বড় আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফাইনালে যেটাই হোক—খেলায় বাংলাদেশের অংশ থাকবে না—তবুও পুরো জাতি বিশ্বকাপকে অনুভব করে, উৎসবে মেতে ওঠে এবং তাদের ভালোবাসা যুগে যুগে বহমান থাকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo