1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে নৈতিক দায়িত্ব বলে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে কেবল একটি ক’র্তব্য হিসেবে নয়, মানবতার প্রতি একটি গভীর নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বুধবার মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ফ্রাংকোফোন পরিবেশে অনুষ্ঠিত শান্তিরক্ষা বিষয়ক দ্বিতীয় মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা কর্মসূচিকে শক্ত করা এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও বলেন, শান্তিরক্ষায় নারী অংশগ্রহণ বাড়ানো শুধু সমতার প্রশ্ন নয়—এটা কার্যকর মিশনেরও পূর্বশর্ত।

আধুনিক শান্তি তৎপরতার উত্থিত চ্যালেঞ্জের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি অপপ্রচার, ডিজিটাল হয়রানি এবং সংঘাতে প্রযুক্তির অনৈতিক বা আবৈধ ব্যবহারের দিকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এসব নতুন ঝুঁকির বিরুদ্ধে কৌশলগত ও নৈতিকভাবে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কাঠামোতে আরও শক্তিশালী ও দূরদর্শী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত মিশন পরিধি, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ এবং সেনা-ও-পুলিশ প্রেরণকারী দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড় আলোচনার ওপর জোর দেন। শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তার ভাষণে ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি মিশনপূর্ব প্রশিক্ষণের গুরুত্বে আরও জোর দিয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং পরিবেশবান্ধব শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বহুপাক্ষিকতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারকে পুনরায় সামনে এনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশটি বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম প্রধান অবদানকারী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছে। বিশ্ব শান্তির সেবায় আত্ম চলচ্চায়ী ১৭৪ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে।

অন্তর্ভুক্তিহীন সূচনায় তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্থাপিত শান্তিপ্রিয় পররাষ্ট্রনীতিকে স্মরণ করান এবং উল্লেখ করেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে তা আরও সুসংহত হয়ে দেশটির শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি অঙ্গীকারকে পথ দেখিয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর কথায়, ঐতিহ্যগত ওই নীতিই আজো বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শান্তি-প্রচেষ্টায় দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo