বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের জবাবে পাকিস্তান শুরুটা দুর্দান্ত করে। প্রথমে ওপেনার আজান অভিষেকের প্রথম ইনিংসেই ক্যারিয়ার সেঞ্চুরি করে ৮৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৫৩ বলের মোকাবেলায় ১৪ চার হাঁকিয়ে জীবনবৃত্তান্তে এই বিরল সাফল্য তুলে আনেন তিনি। তবে এর কিছু সময় পরেই পাকিস্তানকে প্রথম সুরঞ্জনা দেন পেসার তাসকিন আহমেদ, তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের দলের জন্য প্রথম ব্রেকথ্রু সৃষ্টি করেন। আজানের ১৬৫ বলের ইনিংস ছিল ১০৩ রান, যেখানে ১৪টি চারে তিনি নিজের ব্যাটিংয়ের দক্ষতা দেখিয়ে যান।
এরপর দলের দ্বিতীয় অর্ধেকের শুরুতে, ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটার দ্রুত ৫০ পেরিয়ে যান। পরবর্তীতে তিনি ৬০ রান করে সাদমানের ক্যাচে পরিণত হন। এরপরই পাকিস্তানি গ্রুপে কিছুটা ধস নামে, কারণ বাংলাদেশ দ্রুত তিন উইকেট হারায়। অধিনায়ক শান মাসুদ (৯) ও সৌদ শাকিলকে (শূন্য) তুলে নেওয়া হয় তাসকিনের হাত ধরে।
অভিষেকের পর ফজল মাসুদ ৬০ রান করে মারাত্মক উদ্বেগ সৃষ্টি করেন, যদিও এরপর তাকে মেহেদী হাসানের বলেই আউট করা হয়। এই সময়ে, পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে পাকিস্তানি ফজল ১০৩ রান করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
পাকিস্তান ১ উইকেটে ২১০ রান সংগ্রহ করে, কিন্তু এরপরই তারা ব্যাটিং ধস নামে। সালমান আগা ও রিজওয়ান দলের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যান। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের যোগফল ১১৯ রান, যেখানে রিজওয়ান ৫৯ এবং সালমান ৫৮ রান করেন।
অবশেষে, বাংলাদেশের স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ তার দুর্দান্ত ফাইফোলে পাকিস্তানের ৫ উইকেট শিকার করেন, যার ফলে পাকিস্তান ২৩০ রানেই অলআউট হয়। এই জুটির মাধ্যমে তারা বেশ আরামদায়ক লিড নিয়েছেন, অন্তত ২৭ রান।
বাংলাদেশের জন্য মূল অবদান রাখেন শান্ত (১০১), মুমিনুল হক (৯১) ও মুশফিকুর রহিম (৭১)। পাকিস্তানের পক্ষে ৫ উইকেট নেন মুহাম্মদ আব্বাস। এই কার্যদক্ষতা ও দলের পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে একটি দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছে গেছে, যার ফলে পরিস্থিতি এখন তাদের পক্ষে রয়েছে।