1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিরল মশাবাহিত রোগে সিভাসু’র অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানা জুথির মৃত্যু ডিএনএ পরীক্ষায় ধরা পড়ল আসল পিতা, ধর্ষণ মামলায় বিনাদোষে কারাভোগ করেন ইমাম জাপানিজ এনসেফালাইটিসে সিভাসুর অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানার মৃত্যু ডিএনএ-র জবাবে মুক্তি: ধর্ষণ মামলায় বিনাদোষ ঘোষণা, আসল অভিযুক্ত কিশোরীর বড়ভাই অনুমতি ছাড়া হজ পালনে জরিমানা: ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় জামিনে মুক্তি পেলেন তাসনিম আফরোজ ‘ইমি’ শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: দীপু মনির, বাবু ও রূপার ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন প্রসিকিউশন চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত, শিশুর চোখে গুলি ঈদুল আজহায় ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা অবৈধ হজে গেলে জরিমানা ও সর্বোচ্চ ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা

এমজিআরের ৪৯ বছর পুরনো রেকর্ডে ভাগ বসালেন বিজয়

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

নিজের প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে প্রবল সাফল্য পেয়ে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে গতকাল নাম লিখিয়েছেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর—ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত নাম ‘থালাপতি বিজয়’। তিনি নিজে জয়লাভ করায় এবং তার নতুন রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম (টিভিকে) ১০৮টি আসনে জয়ী হওয়ায় ১৯৭৭ সালে এমজি রামাচন্দ্রানের গড়া এক রেকর্ডের সঙ্গে সমানতালে উঠে এসেছেন বিজয়।

১৯৭৭ সালে নিজের সাজানো রাজনৈতিক দল এআইএডিএমকে থেকে মাঠে নামা এমজি রামাচন্দ্রান নির্বাচনে জয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন এবং ১৯৮৭ সালের মৃত্যু পর্যন্ত সেই পদে ছিলেন। জয়ারললিতা যদিও পরে মুখ্যমন্ত্রী হন, কিন্তু তিনি নিজে কোনো নতুন দল গঠন করেই তা করেননি—বরং এমজিআর-এরই এআইএডিএমকে-র শীর্ষ নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এরপর থেকে তামিলফিল্মের কোনো অভিনেতা-অভিনেত্রী দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হননি।

বিজয়ের এই সাফল্য তাই ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে ধরা হচ্ছে। তামিলনাড়ুর বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪; সরকার গঠনের জন্য এককভাবে দরকার ১১৮ আসন। টিভিকে একা ঠিকমতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, কিন্তু ১০৮ আসনে কড়া অবস্থান তৈরি করে এবং জোট গঠনের শর্তে দলের প্রভাব কেন্দ্রে থাকবে—ফলে বিজয়ই সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন। নির্বাচনী ফল ও জোটবিচারনা শেষে শপথ গ্রহণের খবরে রাজ্য রাজনীতি দ্রুত রূপান্তরিত হবে।

বিজয়ের রাজনৈতিক যাত্রাও ছিল পরিকল্পিত। ২০০৯ সাল থেকে নিজের ভক্ত শ্রেণিকে সংগঠিত করতে শুরু করেন তিনি। ভক্তদের এক করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয় ‘বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম’—যা পরে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা নেয়। ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সেই সংগঠনটি এমজিআর-এর প্রতিষ্ঠিত দল এআইএডিএমকে-কে সমর্থন করেছে।

তবে ২০২১ সালে সেই সমর্থন তুলে নিয়ে বিজয় নিজেকেই রাজনৈতিক ফ্রেমে আনতে মনোনিবেশ করেন। ২০২৪ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম (টিভিকে) নামে একটি দল ঘোষণা করেন এবং সেই দলকে নেতৃত্বে নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়ান। নতুন দলের জন্য নির্বাচনী এই ফলাফল রাজনৈতিক দিক থেকে বিস্ময়কর বলা চলে।

এমজিআরের কৌশল—যেখানে তিনি তার বিশাল ভক্তশ্রেণীকে ভোটার এবং রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন—বিজয়ও অনুকরণ করেছেন। দীর্ঘদিনের ভক্তকেন্দ্রিক সংগঠন, জনসংযোগ ও একক প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তিনি রাজনীতিতে দ্রুত ও শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন। এখন রাজনৈতিক মঞ্চে তার ওঠা-নেমা, গঠিত জোট ও শপথ গ্রহণ এক্ষুনি নজরকাড়া হবে।

এই নির্বাচনী প্রেক্ষাপট ও বিজয়ের ভূমিকার বিবেচনায় বলা যায়, ১৯৭৭ সালের এমজি রামাচন্দ্রানের রেকর্ডে ৪৯ বছর পর এবার সমমর্যাদা অর্জন করেছেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর—যা তামিলনাড়ু রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় সূচিত করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo