দেশে হামের বর্তমান প্রকোপ মোকাবিলার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ৩ মে থেকে পুরো দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে হামের বিস্তার রোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, ১২ মে থেকে ঢাকার উত্তরা ও দক্ষিণে সিটি করপোরেশন এলাকার পাশাপাশি ময়মনসিংহ ও বরিশাল জেলায়ও বিশেষ এই টিকাদান কার্যক্রম চালু হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অঞ্চলেও সম্প্রসারিত হবে এই টিকা কর্মসূচি।
সোমবার (৫ এপ্রিল) ঢাকার নবাবগঞ্জে হামের টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ৩ মে থেকে দেশের অবশিষ্ট জেলা ও উপজেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে টিকা দেওয়া শুরু হবে, যাতে কারো মধ্যে ঝুঁকি থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখনো দেশের কিছু এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। এই পরিস্থিতি করোনার মহামারির চেয়েও কম নয়, সামর্থ্য আর তৎপরতা দিয়ে এর মোকাবিলা করতে হবে।
এছাড়া, আজ চেম্বারেল ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, ফুলপুর ও সদর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুরের সদর, নেত্রকোণার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনার সদর, মাদারীপুরের সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাগঞ্জ, নাটোরের সদর এবং যশোরের সদর। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ শিশুদের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা চলছে যেন সকলেই ঝুঁকি মুক্ত থাকতে পারে।