1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

অর্থমন্ত্রীর সতর্কবাণী: বৈশ্বিক সংকটের কারণে পণ্যদ্রব বাড়তে পারে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় এই তথ্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা শুধুমাত্র জ্বালানি খাতের জন্য নয়, বরং এটি একটি বহুমাত্রিক সংকট। এর প্রভাব ক্রমশ খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়ছে, ফলে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে।  

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার বর্তমানে একটি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে এবং দেশের পুনরুদ্ধার করতে তীব্র সংগ্রাম চালাচ্ছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক পরিস্থিতি দেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে, যার কারণে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ ও ক্ষয় বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই এই পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, দেশের ঋণ পরিস্থিতি ও এর ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ভবিষ্যতে অর্থায়নে গুরুত্ব দিতে হবে ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থ সংগ্রহের খরচ কমানোর দিকেও নজর দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের অর্থনীতি এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছে যেখানে সরকারের মূল দায়িত্ব হলো পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা। আগের সময় অর্থনৈতিক সূচক নিম্নমুখী থাকায় এখন উত্তরণের পথ দেখানো আরও কঠিন। তিনি উল্লেখ করেন, এই সংকট কেবল এক দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এটি বৈশ্বিক বাস্তবতার অংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং বিভিন্ন দেশেও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এখনও অনেক ক্ষেত্রে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি, তবে এই চাপ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে।

অর্থমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকার জনগণের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি না করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় এই চাপ বহন করা গেলে তা শেষ পর্যন্ত জনগণের জন্যই ক্ষতিকর হতে পারে। তাই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

এর আগে, এই শীর্ষ অর্থনৈতিক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় এনইসি সম্মেলন কক্ষে, যেখানে দুর্বল ও ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রের বিষয়াদি সরাসরি আলোচনায় উঠে আসে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আরো উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি রাবাব ফাতিমা ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo