1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৩৪ হাজার টন ডিজেল অন্য কোনো দল সরকারে এলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না: চিফ হুইপ ১০ মাস পর দেশে ফিরলেন বিএসএফের হাতে জীবনদায়ী নির্যাতন সই করে নিহত আজিজুরের লাশ মার্চে ৬১৯ নিহত, ১৫৪৮ আহত সড়ক দুর্ঘটনা: যাত্রী কল্যাণ সমিতি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ, শতাধিক আহত মালয়েশিয়া থেকে আসে ৩৪ হাজার টন ডিজেল অন্য কেউ সরকারে এলে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়: চিফ হুইপ মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬১৯, আহত ১৫৪৮, যাত্রী কল্যাণ সমিতির রিপোর্ট ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে শতাধিক আহত, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ১০ মাস পরে জীবিত থেকে মৃত অবস্থায় ফিরে এলেন আজিজুর

আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি পুনর্বিবেচনার পথে সরকার

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

সরকার ২০১৭ সালের আলোচিত বিদ্যুত্ ক্রয় চুক্তি পুনর্বিবেচনা করার চিন্তা করছে, যা আদানি পাওয়ার (ঝাড়খণ্ড) লিমিটেডের সঙ্গে করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেন জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

মন্ত্রী জানান, চুক্তিতে অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ মূল্য ও অনুকূলে না থাকা শর্তাদি প্রকাশ পাওয়ার পর সরকার এটি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। চুক্তিটি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তখনকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় বিদ্যুতের মূল্য অনেক বেশি ধার্য করা হয়েছিল।

সরকারি পর্যায়ে এই চুক্তি পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, আইনজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ কমিটি চুক্তির প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিটির প্রতিবেদন ও পর্যালোচনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘অস্বাভাবিক শর্ত ও উচ্চমূল্যের কারণে এই চুক্তি এখন দেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বর্তমানে দুইটি পথ বিবেচনা করছে — আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে (আর্বিট্রেশন) বিষয়টি নিয়ে যাওয়া বা সরাসরি আদানি পাওয়ারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির শর্ত সংশোধন করে বিদ্যুতের দাম কমিয়ে আনা।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় কমিটির সুপারিশের আলোকে দেশের স্বার্থ রক্ষায় যে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য চুক্তির বিতর্কিত শর্ত ঠিক করা ও ভোক্তা ও জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করা।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তি ২৫ বছরের মেয়াদের এবং ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানির কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে। শুরু থেকেই চুক্তিটি স্বচ্ছতা ও মূল্য নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দেয়। সরকার এখন সেই সমালোচনার প্রেক্ষিতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনি ও কৌশলগত বিকল্পগুলো যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo