1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা আফজাল নাছেরের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর কুষ্টিয়া-৩ এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা রাশিয়া থেকে ৬ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ আদালতে অঝোরে কাঁদলেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার দেখানো অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড বিরোধী দলের নোটিশ, ডেপুটি স্পিকার: ‘আলোচনার সুযোগ দেওয়া হবে’ অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড বিরোধী দলের নোটিশ, ডেপুটি স্পিকার: ‘আলোচনার সুযোগ দেওয়া হবে’

প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: মার্চের ২৮ দিনে দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

চলতি মার্চ মাসে প্রবাসী আয়ে নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে বাংলাদেশ। মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ (প্রায় ৩.৩৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসাইন খান।

এর আগের একক মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল একইভাবে মার্চে—৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। কিন্তু চলতি বছরের মার্চের প্রথম ২৮ দিনেই তা ছাড়িয়ে গিয়েছে।

ব্যালেন্স শীট বিশ্লেষক ও ব্যাংকারদের মতে, রমজান ও ঈদ-উৎসবকে সামনে রেখে প্রতি বছরই এই সময়ে প্রবাসী আয় বাড়ে। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার কারণে অনেক প্রবাসী নিরাপত্তাহীনতা বা অনিশ্চয়তার মধ্যেই সঞ্চিত অর্থ দেশ পাঠাতে থাকতে পারেন, যা রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করছে। রেমিট্যান্স বৃদ্ধি দেশীয় বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট রেমিট্যান্স হয়েছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার—এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮.৮০ শতাংশ বেশি। পুরো ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে ধরা পড়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে সতর্ক করেছে যে, ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এটি প্রবাসী আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি তৈরি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। সংঘাত দ্রুত সমাধান না হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পতন ঘটতে পারে, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যকে চাপ দিতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান দেখা গেছে—দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৪৭ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে; মধ্যপ্রাচ্যই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। সুতরাং ওই অঞ্চলের কোনো সংকট সরাসরি কর্মসংস্থান আর রেমিট্যান্স প্রবাহে 큰 প্রভাব ফেলতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বর্তমান প্রবণতা ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নজরদারি করেই প্রয়োজনীয় নীতি-পরামর্শ এবং তদারকি অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo