1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

ইরান দাবি: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি ঘাঁটি ধ্বংস

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

ইরানের সশস্ত্র বাহিন্যের এক জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র বলেছেন, পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। এই দাবি করেছে আইআরজিসি‑সংশ্লিষ্ট মেহর নিউজ এজেন্সি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এক সাক্ষাত্কারে সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেখারচি বলেন, পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ১৭টি ঘাঁটি স্থাপন করেছিল এবং তাদের ওই সব ঘাঁটিই ইরানের শক্তিশালী বাহিনী ধ্বংস করেছে। তিনি দাবি করেন, “আমেরিকানরা তাদের ঘাঁটি ও সৈন্যদের রক্ষা করতে পারেনি।”

শেখারচি আরও বলেছিলেন, ২০২৫ সালের ১৩ জুন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধে ইরান তার কৌশলগত নীতিতে পরিবর্তন এনেছে — প্রতিরক্ষামূলক নীতিকে আক্রমণাত্মক প্রতিরোধে রূপান্তর করা হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘গত ৪৭ বছরে ইরান কোনো দেশকে আক্রমণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও নিজের ইচ্ছায় অন্য দেশের ওপর আগ্রাসন চালাবে না।’’ তার ভাষ্য, ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ মানে হলো যদি কেউ ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায়, ইরান পাল্টা আঘাত করবে যতক্ষণ না আঘাতকারীকে পরাজিত বা শাস্তি দেয়া হয়।

মুখপাত্র বলেন, ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি বিজয় অর্জন এবং শত্রুকে শাস্তি দেয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বললেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ওপর থেকে যুদ্ধের ছায়া চিরতরে দূর না হওয়া পর্যন্ত আগ্রাসনকারীদের শাস্তি ও তাড়ানোর কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।

শেখারচি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে এও অভিযোগ করেন, নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার অজুহাতে তারা গত কয়েক দশক ধরে পশ্চিম এশিয়ায় ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ ও হস্তক্ষেপ করে অঞ্চলটির জনগণকে শোষণ ও দেশগুলোকে প্রতারণা করেছে। তিনি বললেন, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক দেশগুলোর কাছে নিরাপত্তার নামে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করে এবং ওই দেশগুলোর অর্থায়নে সেখানে ঘাঁটি স্থাপন করেছে।

হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছেন — জোর দিয়ে বলা হয়েছে, ‘‘হরমুজ প্রণালির অবস্থা আর আগের মতো থাকবে না।’’ যুদ্ধ শেষ হলেও ইরান কিছু শর্ত রেখেছে এবং অন্যান্য দেশগুলোকে তা পূরণ করতে হবে, তার ভাষ্য।

শেখারচি আঞ্চলিক মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আবেদন জানিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করুন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভাবেন ইরান পিছিয়ে যাবে, তারা ভুল করছে; ইরানের সংকল্প আগের চেয়ে আরও দৃঢ় এবং তাদের উদ্দেশ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।

উপসংহারে তিনি ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ইরান অঞ্চলটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অন্যদেশের সার্বভৌমত্ব সম্মান করে। কিন্তু তিনি উল্লেখ করেন, যদি কোনো দেশ তাদের ভূখণ্ড বা বায়ু সীমা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে বিদেশি শক্তিকে আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে তার পরিণতি ওই দেশকেই বহন করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo