মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে।
স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় ও বন্দরের পতাকা উত্তোলন, বন্দরের জাহাজ ও নৌযানসমূহকে জাতীয় পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়। এছাড়া কিছু জাহাজ সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় যাতে তারা বন্দরের কার্যক্রম ও পরিবেশ সরাসরি উপভোগ করতে পারেন। একই সঙ্গে মোংলা বন্দর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার। সভায় উপস্থিত ছিলেন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) (যুগ্মসচিব) ড. এ. কে. এম. আনিসুর রহমান, সকল বিভাগীয় ও উপ-বিভাগীয় প্রধান, বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, মবক’র অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধারা, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও সিবিএর নেতারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আলোচনা বক্তব্যে কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, স্বাধীনতার ৫৬ বছরে দেশ ব্যাপক উন্নয়ন অর্জন করেছে এবং সেই উন্নয়নের ছোঁয়া মোংলা বন্দরেও পড়েছে। তিনি আরও বলেন, বন্দরের এ উন্নয়নে দ্রুততা আনতে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে বন্দরের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
উদযাপন শেষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের লক্ষ্য বাস্তবায়ন, মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি ও মোংলা বন্দরের উন্নতির প্রত্যাশায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল এবং অংশগ্রহণকারীরা এ উপলক্ষে আত্মবিশ্বাস আর একাত্মতার বার্তা দেন।