1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
স্বাধীনতা দিবসের শিক্ষা: দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগের আহ্বান দৌলতদিয়া ফেরি দুর্ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রতিমন্ত্রী দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে পড়ে; বহু হতাহতের আশঙ্কা মগবাজারে ‘নবী্ন’ দোকান বন্ধের ঘটনার কারণে হাতিরঝিল থানার ওসিকে আদালতে তলব ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন হাদি হত্যা মামলার দুই অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লি নিলে এনআইএ রমজানের ছুটি শেষে ১০টি শনিবার বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশ ওসমান হাদি হত্যা মামলার দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লি নিয়ে গেল এনআইএ রমজানের ছুটি শেষে পরবর্তী ১০টি শনিবার খুলবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

আমরা জিতেছি, তাদের আর কিছু নেই: ট্রাম্প

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইতিমধ্যেই জয়ী হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা বিজয়ী হয়েছি। এ যুদ্ধে ইতোমধ্যেই আমাদের জয় এসেছে। আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করেছি… বিমানবাহিনী, অস্ত্রাগার এবং বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা করেছি।”

ট্রাম্প আরও বলেন, এত দ্রুত জয় আসায় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ খানিকটা ‘হতাশ’ও হয়েছেন। তিনি সমকালীন সংবাদমাধ্যমগুলিকে ভুয়া খবর ছড়ানোয়ের অভিযোগ তোলেন এবং মন্তব্য করেন, “নিউইয়র্ক টাইমস, এবিসি, সিবিএসিসহ অনেক সংবাদমাধ্যম ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে; কিন্তু সত্য হলো—আমরা জয় পেয়েছি।”

প্রেসিডেন্ট জানান, এখন ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তাদের (“ইরান”) একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ইচ্ছে রয়েছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা এখন এমন অবস্থায় আছেন—যা তাদেরকে সুবিধা দেয়। দেখুন, তারা নৌবাহিনী হারিয়েছে, বিমানবাহিনী নেই, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এক কথায় যা ছিল, সব ধ্বংস হয়ে গেছে। তাদের আর কিছুই নেই।”

ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে ইরানে কার্যকরভাবে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে এবং বর্তমানে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারা আগের নেতাদের থেকে ‘অনেকটা ভিন্ন’। তিনি বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে সংলাপে যুক্ত রয়েছেন ভিস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

পটভূমি হিসেবে উল্লেখ্য, তেহরান ও ওয়াশিংটন ম্যাচে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রുവരി পর্যন্ত সংলাপ হয়, যা ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে; একই সঙ্গে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে অভিযান চালাতে শুরু করে।

কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএস-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিহত হয়েছেন এবং বহু সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; একই সঙ্গে নিহতের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং বিভিন্ন সূত্রে বিবরণ ভিন্ন রকম।

অপরদিকে ইরানও প্রতিরোধ ও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশের (সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান) মুঠোফোন ও মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, এবং এসব আক্রমণ এখনও হলছেই বলে জানানো হয়েছে।

তবে গতকাল এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুদ্ধ থামাতে ইরানকে ১৫ দফার প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রস্তাবটি তেহরানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে—এ তথ্য সূত্রে এএফপি’র উদ্ধৃতি রয়েছে। এই প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা চলমান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo