1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

এশিয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের আনাগোনা বেড়েছে রণতরীর পর

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আমেরিকা-ইরান পারমাণবিক চুক্তি এখনও দূর প্রসারিত। দুটো দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা সম্পন্ন হলেও কোনও ফলাফল হয়নি। এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক শক্তি প্রদর্শনে ব্যাপক বাড়তি নজর দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে ৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান, যার মধ্যে রয়েছে আধুনিক এফ-১৬, এফ-২২ এবং এফ-৩৫। তবে কেন এই শক্তি প্রদর্শনী, তা এখনো স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের মতে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি অনেকগুণ বেড়েছে, যা কেবল একেবারে নজরদারির জন্য নয়, সম্ভবত আরও শক্তিপ্রদর্শনের একটি অংশ। একজন মার্কিন কর্মকর্তা এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, মার্কিন শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন সহ তিনটি আর্লে বার্ক-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ার ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। জানুয়ারির শেষের দিকে এই জাহাজগুলো এই অঞ্চলে গিয়ে ঘাঁটি গেড়ে বসে। এর পাশপাশি, দক্ষিণ আমেরিকা উপকূলে মোতায়েন হয়েছে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। অন্যদিকে, এই শক্তিপ্রদর্শনের উত্তেজনা চলাকালে ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন সেনার এই পদক্ষেপকে। হরমুজ প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা, যদিও ইরান দাবি করেছে এগুলো শুধুমাত্র পরীক্ষামূলক। তবে অনেকের বিশ্বাস, এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ নিছক পরীক্ষা নয়, বরং একপ্রকার প্ররোচনা। দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চলার পাশাপাশি, পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বৈঠক থেকে ফলাফল স্পষ্ট নয়। আমেরিকা জানিয়েছে, তারা ইরানকে আরও দু’সপ্তাহ সময় দিচ্ছে, আবার ইরান বলছে, ভবিষ্যতের আলোচনায় কোনও বড় অগ্রগতি ঘটেনি। ইরানের দাবি, তাদের সাথে আরও আলোচনা হবে, কিন্তু শীঘ্রই পারমাণবিক চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo