1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে দুই মাদরাসা ছাত্রের লাশ উদ্ধার পশুরহাটে চাঁদাবাজি রোধে ১৬৬১১৩ হটলাইন চালু করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ও উদ্ভাবনে মনোযোগ বাড়ানোর আহ্বান তৃতীয় পক্ষ অশান্তি সৃষ্টি করে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়াচ্ছে: বিমানমন্ত্রী জমি বিরোধের মধ্যে ছেলের হাতে বাবা ও ভাই খুন দেশের আর্থিক খাত এখন বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে: অর্থমন্ত্রী অর্জিত জামিনের মাধ্যমে খায়রুল হকের মুক্তি, আর কোনও বাধা নেই গাজীপুরে রাউৎকোনায় চারজন গলা কেটে, এক শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা: ফরেনসিক চলমান কারখানা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান পোশাক মালিকরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত, ছেলে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন ঝিনাইদহের দুই মা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে পরিবারের জন্য সমাপ্তি হলো এক দুঃখজনক সড়ক দুর্ঘটনায়। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির ফোর সিজন রেস্টুরেন্টের কাছে মারছা পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে দুইজন ঝিনাইদহের বাসিন্দা।

নিহতরা হলেন ঝিনাইদহের সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের চাঁন আলীর ছেলে নাইমুর ইসলাম (২১) এবং পাথাহাটি গ্রামের আনোয়ার খন্দকারের ছেলে নাঈম মিয়া (২১)। রোববার দুপুরে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অন্য দিকে লোহাগাড়া থানা পুলিশ নিহত নাঈম মিয়ার মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে পাঠায়।

প্রথম মত অনুযায়ী, নাইমুর ইসলাম ও নাঈম মিয়া খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। এক বছর আগে তারা বিজিবিতে চাকরি পান। ছুটিতে বাড়িতে ফিরে, তারা ৪ মে কক্সবাজারে বেড়াতে যান। তবে ফিরে আসার পথে, গত শনিবার, সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনার শিকার হন। এ ঘটনায় একজন নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। হাসপাতালে নেয়ার পর ওই দিন দুপুরে নাইমুর ও নাঈমের মৃত্যু ঘটে।

নিহত নাইমুরের মা, খ্যাত আমেনা খাতুন, তার ছেলে হারানোর শোকে শয্যাশায়ী, এখন পল্লী চিকিৎসকের সহায়তায় চিকিৎসাধীন। তার স্বামী, চান আলী, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তারা দুজনই একজন সফল জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখতেন, যেখানে বড় ছেলে বিদেশে স্থায়ীভাবে থাকছে। কিন্তু দিনটি তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনায় ভরপুর।

নাইমুর ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করে বিজিবিতে চাকরি পান। খুবই কম সময়ের মধ্যে ছুটিতে এসে আবার সেই বন্ধুদের সাথে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরার পথে এই অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা তাঁদের স্বপ্নগুলো চূর্ণ করে দেয়।

এদিকে, নিহত নাঈম মিয়ার পরিবারেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মা, গোলাপী খাতুন, বারবার কেদে কেদে মূর্ছা যাচ্ছেন। তার চাচা, সাইফুল ইসলাম, জানিয়েছেন, ভাই আনোয়ার খন্দকার চায়ের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। নাঈম ছিল তার একমাত্র ছেলে। দাফনের জন্য গত রাতে তার মরদেহ শহরের গোরস্তানে সমাহিত হয়েছে। তাদের পরিবার এখন বাকরুদ্ধ, তারা বিচার চাইছেন, এবং লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে ঘটনার জন্য।

এই ঘঠনার পর পুরো ঝিনাইদহে শোকের মাতম বইছে। পরিবারগুলোকে দুঃখ ও ক্ষোভের মধ্যে পড়তে হয়েছে, আর তারা মেনে নিতে পারেননি এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু। পরিবারের প্রত্যাশা, এই দুর্ঘটনাই যেন প্রকৃত বিচার পান এবং দায়ীদের শাস্তি হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo