1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

১৯ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছাড়াল দুই বিলিয়ন ডলার

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে রেমিট্যান্স। এই সময়ের মধ্যে দেশে এসেছে মোট ২.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার। দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, একই সময়ে গত বছর এই সময়ে দেশে এসেছিল মোট ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এর ফলে দেখা গেছে, বছর ভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। দেশীয় অর্থনীতির জন্য এই রেমিট্যান্সের গুরুত্ব অপরিসীম।

এর আগে, মার্চ মাসে রেকর্ড সৃষ্টি করে সীমান্তের ওপার থেকে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসেও যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহিত হয়। ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বর মাসে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে প্রভাব ফেলছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলার বিনিময় হার বেড়েছে, যার ফলে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানোর সময় বেশি টাকা পেয়ে থাকেন।

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট অব্যাহত থাকে বা আরও দীর্ঘ হয়, তবে বাংলাদেশের অর্থনীতিও তার ফলে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এজন্য তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখতে পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo