1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ফুয়েল পাস অ্যাপ: রেজিস্ট্রেশন ও ব্যবহার—ধাপে ধাপে নির্দেশনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্নের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা মায়ের ১৮ কোটি টাকার শেয়ার পেলেন বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম অঙ্গহানী ও ভিক্ষাবৃত্তি: তিনজনের যাবজ্জীবন, দুইজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড আবু সাঈদ ভেবেছিলেন মানুষ তার পাশে থাকবেন, কিন্তু তারা অমানুষ হয়ে গিয়েছিল: ট্রাইব্যুনাল ফুয়েল পাস অ্যাপের রেজিস্ট্রেশন ও ব্যবহার কিভাবে করবেন সহজে বিল উত্থাপন করতে থমকে গেলেন প্রতিমন্ত্রী নুর; স্পিকার বললেন ‘আবার বলুন’ প্রতিনিধি সরিয়ে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে পাঁচটি স্থানীয় সরকার বিল পাস বিল উত্থাপনে থমকে পড়লেন প্রতিমন্ত্রী নুর; স্পিকার বললেন ‘আবার বলুন’ জামায়াতসহ বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন

অঙ্গহানী ও ভিক্ষাবৃত্তি: তিনজনের যাবজ্জীবন, দুইজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

প্রায় ষাট বছর আগে রাজধানীর কামরাঙীচর থানাধীন এলাকায় এক সাত বছর বয়সী শিশুকে অঙ্গহানী ও ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার মামলায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ আজ আদালত তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুইজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এই অর্থ অনাদায়ে এক বছর additional কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অভিযুক্তদের মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সালাউদ্দিন, মোঃ শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া, এবং খন্দকার ওমর ফারুক। অন্যদিকে, দুইজন—মোঃ রমজান ও সাদ্দাম—বয়সের কারণে ১০ বছরের কারাদণ্ড পান। একইসাথে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কাউসার ও নাজমা আক্তার নামের দুই আসামিকে মামলার থেকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুটির পরিবারের কাছে ট্রেজারি হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হবে।

আদালত জানিয়েছে, শরিফুল ইসলাম ও খন্দকার ওমর ফারুক বর্তমানে কারাগারে আছেন, তবে সালাউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দাম পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোঃ আনোয়ারুল আমিন চৌধুরী (হারুন) নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৬ মে কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে শিশুটিকে ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। তাদের পরিকল্পনা ছিল শিশুটিকে আজীবনের জন্য পঙ্গু করে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা। তারা শিশুটির লিঙ্গ কর্তন করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র ও ইট দিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্তের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্তের পর ২০১১ সালের ১৫ মে র‌্যাব-১ এর এএসপি মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন অভিযোগপত্র দেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে। মামলার শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল মোট ২০ জনকে সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo