1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সংবিধানকে সংস্কার বলা যাবে না, শুধুই সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক বিভ্রাটে সংসদ অধিবেশন ৪০ মিনিটের জন্য স্থগিত সাউন্ড সমস্যায় সংসদ অধিবেশন ৪০ মিনিট মুলতবি হতদরিদ্রদের জন্য চাল ১৫ টাকা প্রতি কেজি দরে দেওয়া হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুজন হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও কামালসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অর্থমন্ত্রীর সতর্কবার্তা: বৈশ্বিক সংকট বাড়ছে, পণ্যমূল্য ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে পারে ৩ মে থেকে সারাদেশে শুরু হবে হামের টিকাদান অভিযান মঙ্গল-আনন্দের পরিবর্তে এবারের নববর্ষে শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হবে পাঁচ দিনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি হতে পারে স্বাস্থ্য সচিবের নিশ্চয়তা: এখনো টিকার সংকট নেই

খেলাপি ঋণসহ ঝুঁকি শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ এবং অন্যান্য ঝুঁকি আগে থেকে শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তদারকি জোরদার করেছে। তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে একটি সার্কুলার জারি করে এ বিষয়ে কর্মপদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। সার্কুলারে বলা হয়েছে যে ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসের ভিত্তিতে একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে সেই নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সাল ও পরের সময়ের সব প্রতিবেদনও একই নিয়মে দাখিল করতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতের তদারকি শক্ত করে তুলতে সুপারভিশন কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন বা রিস্ক বেইজড সুপারভিশন (আরবিএস) চালু করা হয়েছে। এতে সব ব্যাংককে একইমাত্রায় না দেখে ঝুঁকি বেশি যেখানে সেখানে নজরদারি বাড়ানো হবে।

নতুন ব্যবস্থায় উচ্চঝুঁকির ব্যাংকগুলোর আর্থিক কার্যক্রম এবং ঋণপোর্টফোলিওকে বেশি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফলে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা, অনিয়ম এবং খেলাপি ঋণের প্রবণতা আগে থেকেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া যাবে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি এই নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় তাহলে শুধু খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণই নয়, সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo