1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সাউন্ড সমস্যায় সংসদ অধিবেশন ৪০ মিনিট মুলতবি হতদরিদ্রদের জন্য চাল ১৫ টাকা প্রতি কেজি দরে দেওয়া হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুজন হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও কামালসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অর্থমন্ত্রীর সতর্কবার্তা: বৈশ্বিক সংকট বাড়ছে, পণ্যমূল্য ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে পারে ৩ মে থেকে সারাদেশে শুরু হবে হামের টিকাদান অভিযান মঙ্গল-আনন্দের পরিবর্তে এবারের নববর্ষে শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হবে পাঁচ দিনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি হতে পারে স্বাস্থ্য সচিবের নিশ্চয়তা: এখনো টিকার সংকট নেই ৩ মে থেকে সারাদেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে মঙ্গল-আনন্দের বাদ, এবার নববর্ষে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হবে

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে ইরানে ভয়াবহ সঙ্কট: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, ইরান যদি আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায় বা হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে ইরান। ট্রাম্পের মতে, তিনি এই লক্ষ্যে এবার ৪৮ ঘণ্টার мерзিমা দিয়েছেন। থাকছে ভয়ংকর পরিণতি, যা এভাবেই জানান তিনি।

আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি ইরানকে ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম—চুক্তি করতে বা হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে। সময় শেষের পথে—আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। এর পরে তাদের জন্য জাহান্নাম অপেক্ষা করছে।’

হরমুজ প্রণালী, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদীপথ, দিয়ে প্রতি বছর প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং গ্যাস পরিবহন হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে, যা আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের হামলার কারণে নিরাপত্তাজনকভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।

ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করে, এই প্রণালী তাদের নৌবাহিনীর পুরো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এটি তাদের শত্রুদের জন্য বন্ধ থাকবে। এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো এবং বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ সংকটে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার ওপর।

ট্রাম্প এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বারংবার ডেডলাইন দিয়েছেন। ২১ মার্চ তিনি জানিয়েছিলেন, যদি ইরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তবে তিনি বড় বড় ইরানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামোকে ধ্বংস করে দেবেন। পরবর্তীতে ২৩ মার্চ সাময়িকভাবে তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য আলোচনা চলার কথা ঘোষণা করেন, যেখানে যুদ্ধের ঝুঁকি কমানোর জন্য পাঁচ দিন স্থগিত করেন কোনো সামরিক ব্যবস্থা।

২৬ মার্চ ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের অনুরোধে সময়সীমা বাড়িয়েছেন—তাদের জন্য একটি চুক্তির সুযোগ দিচ্ছেন। তবে ইরান এই প্রস্তাবকে অপ্রত্যাশিত ও অন্যায্য বলে প্রত্যাখ্যান করে। ট্রাম্পের ভাষায়, এক দিন ইরান প্রথমে ৭ দিনের সময় চায়নি, তবে তিনি সেটা বাড়িয়ে ১০ দিন করেছিলেন। এখনো পর্যন্ত ইরান এই ডেডলাইনের নিষেধাজ্ঞাকে মানতে অপরাগ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ হতে পারে। এদিকে, হরমুজের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব-এল-মানদেব প্রণালী নিয়েও ইরান সতর্কতা জারী করেছে। এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত, যেখানে বিশ্বব্যাপী কনটেইনার পরিবহনের প্রায় এক চতুর্থাংশই ঘটছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে বিশ্বের পরিমাণতালিকা তুলে ধরে প্রশ্ন তোলে, ‘বিশ্বের কত শতাংশ তেল, এলএনজি, গম, চাল ও সার এই প্রণালী দিয়ে যায়?’ এই প্রশ্নের মধ্যেই রয়েছে বড় সতর্কতা—আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেন কতটা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, তা বুঝিয়ে দেয় ইঙ্গিত।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo