1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সরকার তৃণমূলে ডিজিটাল লেনদেন ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদোন্নতি বঞ্চিত ১,৮২১ বিসিএস (স্বাস্থ্য) কর্মকর্তার আবেদন গ্রহণ সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব ইরাকে বাংলাদেশি হত্যা: অভিযুক্ত ইরাকি নাগরিককে যাবজ্জীবন ঈদ উপলক্ষে ১৫ দিনে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৫৮৭ মৃত্যুর শঙ্কা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিন দিন অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না: সরকার সংস্কৃতিমন্ত্রীর মন্তব্য: ‘আনন্দ’ বা ‘মঙ্গল’ শোভাযাত্রা নিয়ে বিতর্ক দেশকে বিভক্ত করতে পারে ইরাকি নাগরিকের হাতে বাংলাদেশি নাগরিকের হত্যাকাণ্ডে যাবজ্জীবন দণ্ড দেশের পাঁচ মেডিকেল কলেজে নতুন অধ্যক্ষ ও এক উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

সিপিডি: রাজস্ব আহরণের দীর্ঘ দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের বড় বাধা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

রাজস্ব আদায়ে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা দেশের বাজেট বাস্তবায়নের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে — এমনই সতর্কতা দিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি বলছে, নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা যদি বাস্তবে অর্জিত না হয় তাহলে উন্নয়ন ব্যয় ও সার্বিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় চাপ বেড়ে যাবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে অনুষ্ঠিত ‘‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’’ শীর্ষক আলোচনায় এই মন্তব্য করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানটি এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আয়োজন।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, বর্তমানে জ্বালানি আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধি চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়াতে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে বাজেট প্রণয়ে আরও সতর্কতা ও রিকৌশন প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আহরণে দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যায় এমন দুর্বলতা হলে নির্ধারিত আয়ের তুলনায় আদায় কম হয় এবং তাতে উন্নয়নমূলক ব্যয়ের জন্য চাপ পড়ে। ফলে সরকারি নীতিনির্ধারণ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ব্যাহত হতে পারে।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ঋণের বোঝা এবং চলমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন করে ঋণ নিয়ে অর্থনীতিকে চালু রাখা কঠিন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধিও দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।

এই প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটকে বাস্তবসম্মত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারভিত্তিক উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতের ঝুঁকি মোকাবেলা করা যায় এবং উন্নয়ন কর্মসূচির কর্পোরেটির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

কর ব্যবস্থার প্রসঙ্গে ড. দেবপ্রিয় বলেন, যারা এখনো করের আওতায় আনা হয়নি তাদেরকে ধাপে ধাপে কর ভিত্তিতে আনতে হবে। তবে করের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা বাড়ানো ঠিক হবে না; সামাজিক ন্যায্যতা ও কর দায়ভার বিবেচনায় রাখা জরুরি।

এছাড়া তিনি সরকারি ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজের আয় বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দেন। এসব প্রতিষ্ঠান যদি স্বনির্ভর না হতে পারে, তাহলে তাদের ভর্তুকির উপর দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরতা বজায় রাখা টেকসই হবে না এবং এর যৌক্তিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

সংক্ষিপ্তভাবে, সিপিডি বলছে—রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানো, করভিত্তি সম্প্রসারণ ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা বাড়ানো না হলে নতুন বাজেট বাস্তবায়ন ও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রদক্ষিণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo