1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড বিরোধী দলের নোটিশ, ডেপুটি স্পিকার: ‘আলোচনার সুযোগ দেওয়া হবে’ অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড বিরোধী দলের নোটিশ, ডেপুটি স্পিকার: ‘আলোচনার সুযোগ দেওয়া হবে’ ওয়ান ইলেভেনে কারও ছাড় নেই: চিফ প্রসিকিউটর ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাত ও মানবপাচারের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দ্বিতীয় দফার ছয়দিনের রিমান্ড আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাবের ১২তম ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাটির নিচের ট্যাংকিতে লুকোনো ২৩ হাজার লিটার জ্বালানি উদ্ধার, পাম্প মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপিদের বাসা বরাদ্দ, সংসদের অডিও বিভ্রাটে তদন্ত হবে

ইরানের হামলায় মার্কিন সেনারা ঘাঁটি ছেড়ে পালাচ্ছেন

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্রতায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। তেহরানের ভয়ে অনেক মার্কিন সৈনিক নিজ নিজ ঘাঁটি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন; তারা নিকটবর্তী হোটেল ও সস্তা অফিস স্পেসে আশ্রয় নিয়ে কাজ শুরু করেছেন — ফলে সাধারণ নাগরিকরাও ঝুঁকিতে পড়ছেন, জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

ওপেন-সোর্স বিশ্লেষক ফ্যাবিয়ান হিনজের ভূ-অবস্থানভিত্তিক প্রাথমিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরান মোট ১০৪টি মার্কিন ও আঞ্চলিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তিনি জানাচ্ছেন যে, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব তুলতে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কারণ মার্কিন স্যাটেলাইট সংস্থাগুলো অন্তত ১৪ দিন ধরে ছবিগুলো প্রকাশে বিলম্ব করেছে।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসও জানিয়েছে, ধারাবাহিক হামলার ফলে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মোট ১৩টি মার্কিন ঘাঁটির অনেকে প্রায় বসবাসে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। হিনজের বিশ্লেষণে লক্ষ্য করা গেছে, কুয়েতের আলি আল সালেম ঘাঁটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত—সেখানে ২৩টি হামলা হয়েছে। ক্যাম্প আরিফজানে ১৭টি এবং ক্যাম্প বুহরিংয়ে ছয়টি ভূ-অবস্থানভিত্তিক হামলা করা হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে এসব ঘাঁটিতে হ্যাঙ্গার, যোগাযোগ অবকাঠামো, স্যাটেলাইট যন্ত্রপাতি ও জ্বালানি সংরক্ষণাগারে বড় ধরনের ক্ষত দেখা গেছে।

দেশভিত্তিক হামলার হিসাবেও হিনজ জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৭ বার, বাহরাইনে ১৬ বার, ইরাকে সাত বার, কাতারে ছয় বার, সৌদি আরবে ছয় বার এবং জর্ডানে দুই বার আঘাত হয়েছে। আলি আল সালেম ঘাঁটির একটি বড় গুদাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ঢালু ছাদযুক্ত একটি হ্যাঙ্গার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কাতারের আল উদেদ বিমান ঘাঁটিতে একাধিক অ্যান্টেনা ও স্যাটেলাইট অ্যারের ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা ঘাঁটির সেনাদের থাকার ভবনে বড় একটি গর্ত পড়েছে।

ইরানি সূত্র দাবি করেছে, হামলায় তাদের সবচেয়ে উন্নত খোর্রামশাহর-৪ টাইপের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। হিনজ আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ রাখা চারটি স্থাপনায়ও আঘাত করা হয়েছে। স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ সেন্টারের একটি জরিপের উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, সংঘাতের শুরুতেই ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতি অন্তত ৮০০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬০০ মিলিয়ন পাউন্ড) ছাড়িয়েছে। জর্ডানে অবস্থিত একটি আমেরিকান থাড রাডার এবং এ অঞ্চলের অন্যান্য অবকাঠামোও এতে আঘাত পায়।

অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নিরাপত্তাহীনতার কারণে ঘাঁটি ত্যাগ, স্যাটেলাইট চিত্র বিলম্ব ও আঞ্চলিক অবকাঠামোর ক্ষতি মিলিয়ে আগামি সপ্তাহগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo