1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
স্বাধীনতা দিবসের শিক্ষা: দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগের আহ্বান দৌলতদিয়া ফেরি দুর্ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রতিমন্ত্রী দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে পড়ে; বহু হতাহতের আশঙ্কা মগবাজারে ‘নবী্ন’ দোকান বন্ধের ঘটনার কারণে হাতিরঝিল থানার ওসিকে আদালতে তলব ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন হাদি হত্যা মামলার দুই অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লি নিলে এনআইএ রমজানের ছুটি শেষে ১০টি শনিবার বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশ ওসমান হাদি হত্যা মামলার দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লি নিয়ে গেল এনআইএ রমজানের ছুটি শেষে পরবর্তী ১০টি শনিবার খুলবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তীব্র কথাবার্তা বলেছেন বিএনপির সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর এক সময় এক মেধাবী তরুণ শ্রেণি এসেছে, যারা জাসদ (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) গঠন করেছিল; কিন্তু অতিরঞ্জনের ফলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়েছে। তিনি ভাষায় যোগ করে বলেন, আমাদের উচিত সবকিছু ধৈর্য ও বোদ্ধামূলক দৃষ্টিতে উপলব্ধি করার তৌফিক কামনা করা।

তিনি বিশেষভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি দলের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তখন দেশের স্বার্থে বেগম খালেদা জিয়া অনেক প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখেছিলেন। মনিরুল হক চৌধুরী বললেন, কিছু লোক যেন মনে করেন যে গত পনেরো-বিশ বছর দেশে বিএনপি ছিল না; আসলে দেশনেত্রীর সেই ভূমিকা ভোলা উচিত নয়।

সাংসদ বলেন, এখনকার রাজনৈতিক পরিসরে কখনো কখনো তিনি কষ্ট পান—কোন ভাষায় কথা বলবেন তা বুঝতে পারেন না; কারণ, আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাদের চিনতেন, কিন্তু আজকার বিরোধীদলকে তিনি সেভাবে চেনেন না। তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান যে সময় কঠিন নির্বাচনের কথা বলেছিলেন অনেকেই তখন তা বুঝছিলেন না, পরে নির্বাচনের বাস্তবতা প্রকাশ পেলেই বোঝা গেছে কতটা কঠিন ছিল।

মনিরুল হক চৌধুরী আরও বলেন, এত বড় সংখ্যায় সংসদে আসার পর কৃতজ্ঞতা জানাতে যাদের কথা প্রথম আসা উচিত তারা হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামির নেতারা; তবু আজকার বিতর্কে আমাদের সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে—বিশেষ করে যারা মুক্তিযোদ্ধা জীবিত আছেন তাদের সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা হচ্ছে, এবং মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনার সমকক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করা গেলেই সেটি অগ্রহণযোগ্য।

রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি স্বাধীনতার পরের তরুণ নেতাদেরও শ্রদ্ধা জানান, বিশেষত এনসিপির যেসব নেতারা কমবয়সী হলেও সাহসী ভূমিকা নিয়েছেন—এদের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানান। সংসদে তার ভাষণ ছিল ইতিহাসের বিচার, রাজনৈতিক নৈতিকতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশের মিশ্রিত আবেদন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo