1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ভারতে কারাভোগ শেষে ৩৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান পেট্রোল পাম্প চালু রাখতে পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তা চাইলেন মালিকরা ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোলে দেশে ফিরেছে ৩৩ বাংলাদেশি ভারত থেকে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৩৩ পাচারের শিকার বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব: সামনে সবকিছুর দাম বাড়বে, মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে — মির্জা ফখরুল কুমিল্লার ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহতদের পরিবার পাবেন ২৫ হাজার টাকা কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত

পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকি ও ভোক্তাদের চাপ বৃদ্ধির মধ্যে পেট্রোল পাম্প খোলা রাখতে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এ আহ্বান জানান।

বার্তায় তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট যুদ্ধ-পরিস্থিতির প্রভাব থেকে ডিপোগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ হচ্ছে না এবং সাময়িকভাবে সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে চাহিদা থাকলেও প্রয়োজনীয় পরিমাণ তেল ডিপো থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। একই সময়ে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ ভোক্তাদের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তাজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে; কিছু স্থানে স্টাফদের মারধর ও স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে অচিরেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজে যুক্ত করে পাম্পগুলো চালু রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কর্মরতরা যেন কেউ কারো নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাজ চালিয়ে যেতে পারে, তাও বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে। বার্তার কপি সকল জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে পাঠানো হয়েছে।

আবার একটি পৃথক চিঠিতে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বাঘাবাড়ি সহ বিভিন্ন ডিপো থেকে বরাদ্দকৃত পেট্রোল ও অকটেন অনেক সময় ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ন হচ্ছে না। সাধারণত প্রতিটি চেম্বারে প্রায় ৪,৫০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাংক লরিতে অনেক ক্ষেত্রে প্রতি চেম্বারে মাত্র ২–৩ হাজার লিটার করে তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এতে ডিপো থেকে পাম্প পর্যন্ত পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং পাম্প মালিকদের আর্থিক ক্ষতিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, কিছু পাম্প মালিক তেল উত্তোলনে অক্ষম হলে সংশ্লিষ্ট তেল বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা পরে কালোবাজারে বিক্রয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে এবং ভবিষ্যতে বাজার অস্থিরতা ও মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে। সরকারী কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তেল বরাদ্দ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিত চিঠিটি যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা অয়েল কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo