1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ভারত থেকে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৩৩ পাচারের শিকার বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব: সামনে সবকিছুর দাম বাড়বে, মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে — মির্জা ফখরুল কুমিল্লার ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহতদের পরিবার পাবেন ২৫ হাজার টাকা কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ২৫ হাজার টাকা কুমিল্লায় ট্রেন ধাক্কায় নিহত ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে শতাধিক, ৩ শিশু নিহত, ২ নিখোঁজ

চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম তদন্ত শুরু: দুদক ৪টি কমিটি গঠন

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের কয়েকটি প্রকল্পে অনিয়ম ও নিয়োগভিত্তিক দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। এ সন্দেহে সংস্থাটির উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সূত্রটি বলছে, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের নানা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দ্রুতগতিতে কাজ করছে অনুসন্ধান দলগুলো।

দুদকের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষত শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন যখন এক প্রকল্পে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যা মূল্যায়ন করা হয়েছিল প্রায় ২,৪৮৬ কোটি টাকা। পরবর্তীতে বাস্তবে কেনা হয় মাত্র চারটি জাহাজ; এ সংঘবদ্ধভাবে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে বলে দুদকের প্রাথমিক ধারণা।

মোংলা বন্দরের ‘পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং’ প্রকল্পেও প্রায় ১,৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুদক বলছে, এসব প্রকল্পে টেন্ডার, বাস্তবায়ন এবং অর্থবহ ব্যবহারে অনিয়মের সূচক পাওয়া গেছে—যা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তকারী দলগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। দুর্নীতির আশঙ্কা পাওয়া গেলে দায়িত্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে। মামলার কারণ বা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলে অনুসন্ধান শেষ করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে।

দুদকের এই পদক্ষেপের পর ভবিষ্যতে তদন্তে নতুন তথ্য উঠে এলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হতে পারে এবং প্রয়োজন হলে আইনানুগ কার্যক্রমও ত্বরান্বিত করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo