1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জেট ফুয়েলের দাম একলাফে ৮২ টাকা বাড়ল, কার্যকারিতা স্থগিত বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক আহত বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক আহত বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, হতাহতদের আশঙ্কা সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: ৯টি বগি, হতাহতের আশঙ্কা ঈদযাত্রায় ৪৮ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে টোল আয় সাড়ে ৬ কোটি পবিত্র শবে কদরেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাউনিয়া বেইলি ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় এনসিপি এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত শবে কদরের সরকারি ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়ক দুর্ঘটনায় এনসিপি এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত

সাতক্ষীরায় গলায় রশি দিয়ে তরুণ চিকিৎসকের আত্মহত্যা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

সাতক্ষীরার নারিকেলতলা এলাকার কাঠিয়া কর্মকার পাড়ায় একজন তরুণ চিকিৎসক বাড়ির ঘরে গলায় রশি দিয়ে ঝূলে থাকা অবস্থায় নিহত পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৮ মার্চ) ভোররাত আনুমানিক তিনটায়।

পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, নিহত চিকিৎসকের নাম ডাঃ সঞ্জীব দত্ত (২৭)। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন এবং পরে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে এফসিপিএস করার জন্য লন্ডনেও যাওয়া ছিল। লন্ডন থেকে তিনি সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে বাড়ি ফিরে আসেন।

কাঠিয়া কর্মকারপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির সমিতির সভাপতি গৌর দত্ত বলেন, সঞ্জীব দীর্ঘদিন ধরে পড়ালেখার চাপ ও নানা কারণে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। সোমবার বাড়ি ফেরার পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা তার মানসিক অবসাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি বাড়ির নিজের ঘরে ঘুমাতে যান এবং বুধবার ভোরে ওই ঘরেই গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

নিহতের বন্ধু অমিত বলেন, সঞ্জীব সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের এসএসসি ব্যাচের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। সে সবার সঙ্গে নম্র ও সদালাপী ছিল; অভিভাবকদের অনুপ্রেরণায় চিকিৎসাবিদ্যায় যোগ দিলেও পরবর্তীতে নানা চাপের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

সঞ্জীবের বাবা তপন কুমার দত্ত বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ছেলে ঘরে ঘুমাতে যায়। বুধবার সকালে তার মা কাঞ্চন দত্ত দরজায় ধাক্কা দিলে প্রতিক্রিয়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিলে ছেলেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এব্যাপারে পরিবার ও প্রতিবেশীরা শোক ও হতবাক অবস্থায় রয়েছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাঃ মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

নিহতের অকালপ্রয়াণে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্কুল-কলেজের সহপাঠীরা গভীর শোকে আচ্ছন্ন। স্থানীয়রা জানান, সঞ্জীবকে নিয়ে এলাকার মানুষের মনে দুরন্ত স্মৃতি রয়েছে এবং এই ক্ষতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo