1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সহযোগিতা পেলে রাতদিন পরিশ্রম করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনে নারী প্রার্থীর অপ্রতুল উপস্থিতি হতাশাজনক: ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ ঢাবি-কুয়েটসহ নয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়ায় হতাশা: ইসি মাছউদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম হওয়া হতাশাজনক: ইসি মাছউদ ১৭ দিনে ঢাকায় ৫২৮ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল স্পিকার ঘোষণা: সংসদ অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি শহীদ মিনারে গুলিতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব নিহত, একজন আটক ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, খুলনায় মনিরুল হাসান (বাপ্পী) সংসদ অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় একদিনের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিব্র প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশ; শেষ পর্যন্ত ১১ রানে জয় পেয়ে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতলো টাইগাররা। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানের সামনে ২৯১ রানের লক্ষ্য রেখে দেয়।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই পাকিস্তানের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের পেস আক্রমণে। উন্মুক্ত শুরুতেই দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা দায়িত্ব নিয়ে দ্রুত তিনটি উইকেট তুলে নেন; মাত্র ১৭ রানে হারায় সফরকারীরা তাদের প্রথম তিন উইকেট। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তাসকিন সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান, পরের ওভারে নাহিদ মাজ সাদাকাতকে বাইরে পাঠান এবং নিজের দ্বিতীয় ওভারে রিজওয়ানকেও ফেরান।

দলকে বিপদ থেকে টেনে তুলতে একাই লড়াই করেন সালমান আলি আগা; সঙ্গে ছিলেন সাদ মাসুদ। তারা আচমকা ভাঙাচোরা অবস্থায় ইনিংসকে দায়িত্বশীলভাবে সামলান এবং পাকিস্তানকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে যান। কিন্তু শেষের দিকে তীব্র উত্তেজনায় পাকিস্তান পুরো শেষ রূপটা কাজে লাগাতে পারেনি এবং শেষ পর্যন্ত ১১ রানে হারতে হয়। মুস্তাফিজুর রহমানও গুরুত্বপূর্ণ ওভার করায় আক্রমণকে শক্ত রাখেন।

বাংলাদেশের বোলিং ঝাঁজাই ছিলেন সবচেয়ে সফল—তাসকিন আহমেদ একাই চারটি উইকেট নেন এবং সামগ্রিকভাবে পেসারদের অবস্থানই ছয় হারের মধ্যে পাকিস্তানকে আটকে দেয়। পাকিস্তানের পক্ষে হারিস রউফ সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন; আবরার ও শাহীন আফ্রিদি একজন করে উইকেট নেন।

এ ম্যাচটি দিয়ে বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে টানা জয় করার রেকর্ডও গড়ল। এর আগের বাংলা-পাক দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ ছিল ২০১৫ সালে, যখন বাংলাদেশ সেই সিরিজে পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদশের শুরু অপ্রতিরোধ্য ছিল। টস জিতে পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমেই উদ্বোধনী জুটিতে ১০৫ রান জমিয়ে নেয়। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম দুর্দান্ত খেলেন—ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ১০৭ রান করে ফেরেন (১০৭ বল; ইনিংসে ৬ চার ও ৭ ছক্কা)।

উদ্বোধনী সঙ্গী সাইফও ভালো শুরু করেছিলেন; ৫৫ বল খেলে ৩৬ রানে ফিরে যান। নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রানে আউট হন। এরপর লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় চতুর্থ উইকেটে ৬৮ রানের সহায়ক জুটি গড়েন; লিটন ৪১ রানে ফেরেন। পরের পর্যায়ে তাওহীদ ও আফিফ মিলে ইনিংস শেষ করেন—তাওহীদ অপরাজিত থাকেন ৪৪ বলের ৪৮ রানে, আর আফিফ অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।

পুরো ম্যাচ জুড়ে নাটক ও প্রতিরোধের মিশ্রণে দর্শকরা আকর্ষণীয় শেষের অপেক্ষায় ছিলেন; শেষ পর্যায়ের টেকসই বোলিংই বাংলাদেশকে সংগ্রহে টিকিয়ে রাখে এবং সিরিজ জয়ের পথে নেতৃত্ব দেয়। ম্যাচ শেষে দলের আনন্দ ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো—এক ম্যাচের কনটেস্টে থ্রিল ছিল এবং বাংলাদেশের কৌশলগত আবর্তন সফল হয়ে উঠল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo