1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
শপথের প্রয়োজন নেই, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘হ্যাঁ’ কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুরনো কর্মচারীদের ডেকে আলোচনা করেন তারেক রহমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আগামী মাস থেকে শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম ঈদের আগেই ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের জন্য বিশেষ ভাতা দেবে সরকার শহীদ মিনারে ডাকসুর একাংশের শ্রদ্ধা, নিস্তব্ধতা অন্যদের অপ্রাপ্তিতে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ৮ উপদেষ্টার দফতর বণ্টন: কে পেলেন কোন দায়িত্ব মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা, ডাক্তারদের পেছনে না ঘুরে ডাক্তাররা মানুষকে ঘুরাবেন রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে ২ নিহত

খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিনম্র শ্রদ্ধায় পালিত

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্ন সামরিক, সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ।

বিকেল অর্ধেকের দিকে নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে অবস্থিত শহিদ মিনারে মহান মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারসহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। একই সময় নগরীর সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দপ্তর ও ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ ভোরে শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শোভাযাত্রা করেন।

নগরভবনে আয়োজন করা হয় শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। বাদ জোহর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে ভাষা শহিদদের রূহের মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে মন্দির, গীর্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়েও দু’আ ও প্রার্থনা সম্পন্ন হয়। দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠন রচনা, চিত্রাঙ্কন, আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

সকাল ১১টায় খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্যেই নিহিত ছিল স্বাধীনতার সূতো। মাতৃভাষা আমাদের আত্মার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশি ভাষা শেখার পাশাপাশি মাতৃভাষার প্রতি সজাগ থাকতে হবে, কারণ বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনায় এই ভাষার গুরুত্ব অপরিসীম।

প্রসঙ্গত, অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়েন উদ্দীন এবং পুলিশ সুপার মো: মাহবুবুর রহমান।

দিবসের গুরুত্ব এবং আবেগঘন স্মৃতি বিভিন্ন স্থানীয় সংবাদপত্রে বিশেষ নিবন্ধ, ক্রোড়পত্র ও বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশিত হয়, যা এ দিনে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও চেতনাবোধকে আরও জোরদার করে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo