1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে টিকটকার রাকিব খুন: তদন্তে ‘বি কোম্পানি’ ঈদ কবে জানাবে সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

করাচির গুল প্লাজার এক দোকান থেকে ৩০ দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬১

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির ব্যস্ত শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজার একটি দোকান থেকে ৩০ জন দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে, বাকিদের পরিচয় উদ্ধারে কাজ চলছে।

করাচির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা বুধবার এক ব্রিফিংয়ে জানান, “গুল প্লাজার দ্বিতীয় তলায় ‘দুবাই ক্রোকারিজ’ নামের দোকানটি থেকে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে; বাকিদের খোঁজ চলছে।”

তিনি বলেন, এই উদ্ধার কার্যক্রমের ফলে গুল প্লাজায় মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৬১ এ পৌঁছিয়েছে। এখনও ৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ঘটনাটি ঘটেছিল ১৭ জানুয়ারি শনিবার, যখন প্লাজার বেসমেন্টে আগুন লেগে তা দ্রুত পুরো কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুনের মাত্রা এতটাই প্রবল ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পুরো রাখরাত, প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় লেগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়েছে।

১৯৮০ সালে নির্মিত এই পাঁচ তলা শপিং কমপ্লেক্সটির আয়তন এক ফুটবল মাঠের চেয়েও বড়। এখানে প্রায় ১২০০টির বেশি দোকান ছিল এবং অধিকাংশ দোকান আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের বক্তব্য মতে, করাচিতে এর আগে এত বড় ও বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড দেখা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ এই বিশাল হতাহতের একটি বড় কারণ হিসেবে প্লাজা কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা চরম অনুপস্থিতিকে দায়ী করেছে। করাচি ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, প্লাজায় মোট ২৬টি গেইট থাকা সত্ত্বেও চলাচলের জন্য কার্যত মাত্র দুটি গেইট খোলা থাকত; বাকি সব গেইট সবসময় বন্ধ থাকতো। আগুন লাগার সময়ও বেশিরভাগ ফটক খোলা ছিল না, ফলে শতশত মানুষ ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। পাশাপাশি মার্কেটে থাকা অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্রপাতিও কার্যকর ছিল না।

উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা বলেন, “প্রাথমিক আনুসন্ধানে দেখা গেছে যে অনেক দোকানের শাটারকে আগুন থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল; পরে এটিই তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিহতদের মধ্যে দোকান মালিক ও কর্মচারীরাও রয়েছেন।”

করাচি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা ও কমিশনার সৈয়দ হাসান নাকভি জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি তদন্তে সিন্ধ প্রদেশ সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে এবং ওই কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। করাচি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, মৃতের সংখ্যা ভবিষ্যতে ১০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ঘটনাস্থল ও উদ্ধার তৎপরতা সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সূত্র: এএফপি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo