1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
রেললাইনের ঘেঁষে কোরবানির হাট বসানো যাবে না: রেল মন্ত্রণালয় ইসলামপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড; প্রধান আসামি সাদিক খালাস জামালপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, প্রধান আসামি সাদিক খালাস সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু; গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন রাজধানীর সব ভবনে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার বিতরণের উদ্যোগ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার শর্ত নিয়ে আলোচনা চলছে: নুর নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন

প্রতিটি চার নারীর মধ্যে তিনজনই সহিংসতার শিকার: স্বাস্থ্য ও সামাজিক জরিপ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশে প্রতি চারজন নারীর মধ্যে তিনজনই জীবনের কোনো এক সময় সহিংসতার মুখোমুখি হয়েছেন। এই সহিংসতার মধ্যে রয়েছে শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক এবং নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে, যা আজ সোমবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০২৪’ প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এই জরিপে সহযোগিতা করেছিল জাতিসংঘ তহবিল ইউএনএফপিএ।

জরিপের ফলাফল বলছে, ৭৬ শতাংশ নারী গত জীবনে অন্তত একবার তাদের জীবনসঙ্গী বা স্বামী দ্বারা শারীরিক, যৌন, মানসিক বা অর্থনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী, অর্থাৎ ৪৯ শতাংশ, গত এক বছরে এই ধরনের সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছেন। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই সহিংসতার শিকার নারীদের মধ্যে ৬২ শতাংশই কখনোই তা প্রকাশ করেননি।

বিবিএস এর মতে, এই জরিপে জাতিসংঘের নির্ধারিত সহিংসতার ধরনের পাশাপাশি বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক আচরণসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, ১৫ বছর বয়সের পর ১৫ শতাংশ নারী নন-পার্টনার বা স্বামী ব্যতীত অন্য কারও দ্বারা শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন এবং ২.২ শতাংশ নারী নন-পার্টনার দ্বারা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

অবশ্য, জরিপ বলছে যে, ২০১৫ সালের তুলনায় কিছুটা অগ্রগতি দেখা গেছে—তখন স্বামী দ্বারা সহিংসতার হার ছিল ৬৬ শতাংশ, যা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৪৯ শতাংশে। তবে, এই সব ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির পরও দেখা যায় যে, নারীরা চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিতে দ্বিধা করেন। সমাজের بعض রীতিনীতি ও মানসিক চাপের কারণে অনেক নারী নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সংকটে থাকেন, আর এই কারণেই তারা অনেক সময় মুখ বন্ধ রেখেছেন।

জরিপের আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য জানায়, জীবদ্দশায় প্রায় অর্ধেকের বেশি নারী (৫৪ শতাংশ) স্বামী বা জীবনসঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এই রিপোর্টটি স্পষ্ট করে দেয়, নারীর জীবন থেকে সহিংসতা এখনও এক বিশাল সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান, যা সমাধানের জন্য সামাজিক ও আইনী ব্যবস্থা আরও কঠোর ও কার্যকর হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo