1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

পাকিস্তান-সৌদি আরবের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর: আক্রান্ত হলে একসঙ্গে রক্ষা করবে দু’দেশ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

পাকিস্তান ও সৌদি আরব গতকাল বুধবার একটি ঐতিহাসিক কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, যদি কোনো এক দেশকে আগ্রাসনের মুখোমুখি হতে হয়, তাহলে সেটিকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আখ্যায়িত করে দেখা হবে। অর্থাৎ, এক দেশের ওপর আঘাত এলে উভয় দেশের স্বার্থে মনোভাব প্রকাশ করে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে। এই বিষয়টি জানা গেছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সৌদি আরব সফরের সময়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এদিন তাঁকে আল-ইয়ামামা প্রাসাদে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান স্বাগত জানান। চুক্তি স্বাক্ষরের পর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রায় আট দশকের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এবং ইসলামি সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের স্বার্থে দুই দেশ এই কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।’

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই চুক্তি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তিতে অবদান রাখবে। এর মূল লক্ষ্য হলো, কোনও এক দেশের ওপর আঘাত মানে দুই দেশের বিরুদ্ধে আঘাত হিসেবে বিবেচনা হবে এবং দু’দেশই একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন একটি অগ্রগতি, কারণ আগে পাকিস্তান ও সৌদি আরব বিভিন্ন প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হলেও, এবার সম্পূর্ণ নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে — যেখানে এক দেশের ওপর আঘাত হলে তা উভয়ের উপরই আঘাত হিসেবে গণ্য হবে।

এই কর্যক্রম শুধুমাত্র পাকিস্তান-সৌদি সম্পর্ককেই দৃঢ় করছে না, বরং পুরো মুসলিম বিশ্ব ও দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই বড় প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এটিকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক অস্থিরতা, ইসরায়েলের হামলা, দোহা সম্মেলন এবং মুসলিম বিশ্বে স্বৌরভ ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এই চুক্তির গুরুত্ব অনেক। এটি প্রমাণ করে, সৌদি আরব এখন পাকিস্তানকে অন্যতম নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে দেখে।

শাহবাজ শরিফ আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সৌদি যুবরাজকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি দু’পবিত্র মসজিদির স্বর্গদ্বার ও বাদশাহ সালমানের সুস্বাস্থ্য এবং সৌদি জনগণের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন। সৌদি বাদশাহও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণের জন্য সুখ, স্বস্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

বৈঠকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ এবং অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo