1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে টিকটকার রাকিব খুন: তদন্তে ‘বি কোম্পানি’ ঈদ কবে জানাবে সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

টেলিসংলাপের সেই ৩৭ মিনিট

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৩
hasina-khaleda_23877_0

প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে আলাপ হয়। প্রায় ৩৭ মিনিটের ওই ফোনালাপে উঠে আসে রাজনীতি ও সংলাপ ছাড়াও অতীতের বিভিন্ন বিষয়।এই দুই নেত্রীর ফোনালাপের সময় কাছাকাছি যারা ছিলেন তাদের কাছ থেকে শুনে কথোপকথনের চুম্বক অংশ নিচে তা তুলে ধরা হলো।শেখ হাসিনা: আমি আপনাকে দুপুরে লাল টেলিফোনে ফোন দিয়েছিলাম। বারবার রিং হয়েছে। আমি দুঃখিত আপনি যেকোনো কারণে ফোন ধরতে পারেননি।

খালেদা জিয়া: লাল টেলিফোনে আপনি ফোন করেছিলেন। কিন্তু ফোনটির সংযোগ অনেক দিন থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে।

শেখ হাসিনা: আচ্ছা ঠিক আছে, আমি দুঃখিত। ফোনটা ডেড (বিকল) ছিল বা ডেড করে রাখা হয়েছে কি না, বলতে পারছি না। আগামীকাল এটা আমি দেখব।

খালেদা জিয়া: টিঅ্যান্ডটির এক কর্মকর্তা বলেছেন, ফোনের লাইন নাকি ঠিক আছে। এটা মিথ্যা কথা। ফোনটি ডেড। আপনি তাঁর (টিঅ্যান্ডটি কর্মকর্তা) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

শেখ হাসিনা: আপনি তো ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করেন। আপনি আমাদের ৩২ নম্বরের বাসায় রাসেলকে দেখেছেন। নিষ্পাপ ওই শিশুকে হত্যার দিনে কীভাবে আপনি জন্মদিন পালন করেন, কেক কাটেন! এটা তো আপনার আসল জন্মদিন নয়।

খালেদা জিয়া: ১৫ আগস্ট কারও জন্মদিন হলে তারা কি জন্মদিন পালন করতে পারবে না। আমার দুই ছেলে তো দেশের বাইরে।

শেখ হাসিনা: আগামী নির্বাচন সম্পর্কে গণভবনে এসে কথা বলার জন্য আমি ২৮ তারিখ সন্ধ্যায় আপনাকে দাওয়াত করছি। আমার সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন।

খালেদা জিয়া: আপনি নির্দলীয় সরকারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন। আপনার সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু এতে তো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সবার সুযোগ নিশ্চিত হবে না। আর সোমবার (২৮ অক্টোবর) কীভাবে যাব। ওই দিন তো হরতাল। অন্যদিন আসব। আপনি নির্দলীয় সরকারের দাবি নীতিগতভাবে মেনে নিন। তাহলে আন্দোলন প্রত্যাহার করব।

শেখ হাসিনা: আমি তো আপনার কথা রেখেছি। ৪৮ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই ফোন দিলাম। এখন আসতে সমস্যা কী। হরতাল প্রত্যাহার করে আসেন।

খালেদা জিয়া: আমার পক্ষে তো এককভাবে হরতাল প্রত্যাহার করা সম্ভব নয়। এটা তো ১৮ দলের হরতাল। জোটের অন্য দলের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ২৯ তারিখের পর যেকোনো দিন আসা যায়।

শেখ হাসিনা: আপনি অনির্বাচিত লোকদের কথা কেন বলেন? নির্বাচিতদের ওপর আস্থা রাখেন। আমরা যারা নির্বাচিত, তারাই দেশ চালাই। আপনার দলের নির্বাচিতদের মধ্য থেকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রতিনিধির নাম দেন।

খালেদা জিয়া: আপনি যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পছন্দ না করেন, তাহলে ‘৯৬-এর নির্বাচনের আগে কেন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিলে আন্দোলন করেছিলেন। তৃতীয় পক্ষের কথা বলছেন। সেটা যদি না-ই চাইতেন, তাহলে ২০০৭ সালে কেন ওই সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। আপনাদের আন্দোলনের ফসল বলেছিলেন। নির্বাচনেই বা গেলেন কেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo